শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বাঘায় দুর্গাপূজায় নিরাপত্তার চাদর, সম্প্রীতি রক্ষায় প্রশাসনের কঠোর অবস্থান নগরীর কোতোয়ালি এলাকায় চুরি হওয়া ২ মাসের শিশু উদ্ধার, চোরচক্রের ২ সদস্য আটক চমেক হাসপাতালের গাইনি বিভাগে এলবিয়ন গ্রুপের পক্ষ থেকে চিকিৎসা সরঞ্জাম প্রদান চোখের জলে লেখা যে কথা রাঙামাটিতে ৬ ইটভাটার কার্যক্রম বন্ধ বাঘায় মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের অভিযান, প্রচারে মাঠে নামল প্রশাসন কয়রায় বসতবাড়ি দখলের ঘটনায় মিথ্যা অভিযোগ করে হয়রানীর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন খুলনায় গ্যাস নিয়ে চলছে হুলস্থুল কান্ড,এলপিজি বোতলের ব্যাপক সংকট ক্যামিষ্ট এন্ড ড্রাগিস্ট ” কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে আনোয়ারায় চলছে দুই পক্ষের উত্তেজনা কর্ণফুলি মইজ্জ্যারটেক দ্বিতীয় দিন ও সিডিএ’র জমি, ফের অভিযান চলছে

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া সফরকে ঘিরে- মালয়েশিয়া প্রবাসীদের প্রত্যাশা।

  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬
  • ১৫৬ বার পড়া হয়েছে

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া সফরকে ঘিরে- মালয়েশিয়া প্রবাসীদের প্রত্যাশা

 

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া সফরকে ঘিরে- মালয়েশিয়া প্রবাসীদের প্রত্যাশা

।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম আনুষ্ঠানিক বিদেশ সফর শুরু হচ্ছে মালয়েশিয়া দিয়ে। তিনি আগামী ২১ ও ২২ জুন মালয়েশিয়া সফর করবেন।

প্রথম বিদেশ সফরের গন্তব্য হিসেবে মালয়েশিয়াকে বেছে নেওয়া একটি সুপরিকল্পিত কৌশলগত সিদ্ধান্ত। এই সফরের মধ্য দিয়ে দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে।

এই সফরের পেছনে সরকারের বড়ো একটা স্ট্রেটেজি রয়েছে, যে বিষয়ে গতকালকে মালেশিয়ার শীর্ষ গণমাধ্যম দ্য এইজ মালেশিয়া একটা বিগ স্টোরি করেছে।

মালেশিয়াতে এস আলমের সকল সম্পত্তির ওপর নজরদারি করছে সরকার। মালেশিয়ার পত্রিকার ওই রিপোর্টে উল্লেখ করেছে, এস আলম সংশ্লিষ্ট দুই হোটেলের দিকে নজর সরকারের। একটা ফোর পয়েন্টস বাই শেরাটন কুয়ালালামপুর আরেকটি রেনেসাঁ কুয়ালালামপুর হোটেল অ্যান্ড কনভেনশন সেন্টার। দুটোতেই আছে অন্তত দেড়শো কোটি টাকার বিনিয়োগ। তারেক রহমান এগুলো জব্দের জন্য ট্রাই করতেছেন। সেদিকে নজর তার সরকারের।

মালেশিয়াতে এস আলমের সাম্রাজ্য ঘিরে তদন্ত চলতেছে। দ্য এইজ মালেশিয়ার রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, সম্ভবত মালেশিয়াতেই এস আলমের প্রকাশ্যে সম্পত্তি বেশি।

দুই দিনের সফরে ২য় দিন তারেক রহমান এবং মালেশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম ওয়ান-টু-ওয়ান একটা বৈঠক করবেন।

বন্ধ শ্রমবাজার চালু করা এবং এক্সটেন্ড করা। বাংলাদেশে বিনিয়োগ করার জন্য কিছু বিষয় সমঝোতা চুক্তি হবে এবং অভিবাসন নিয়েও চুক্তি হবে।

বাংলাদেশ থেকে সাধারণ কর্মী নিয়োগকে কেন্দ্র করে উঠে আসা নানা অনিয়ম, দুর্নীতি, মাত্রাতিরিক্ত অভিবাসন ব্যয়, কর্মীদের ঋণে অবব্ধ হওয়া, কাজ না পাওয়া, ফোর্সড লেবার এবং মানব পাচারের মতো গুরুতর ও স্পর্শকাতর অভিযোগ সহ অবৈধদের বৈধতার বেশ গুরুত্বের সাথে আলোচনা করার অহ্বান মালয়েশিয়া প্রবাসীদের।

বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, বিশাল শ্রমবাজার, রেমিট্যান্স প্রবাহ এবং বাণিজ্যিক সম্ভাবনার কারণে এই সফরটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বর্তমানে মালয়েশিয়ায় প্রায় ১০ লাখেরও বেশি বাংলাদেশি কর্মী বিভিন্ন খাতে কর্মরত রয়েছেন। তাই এই সফরে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাবে:
শ্রমবাজার ও প্রবাসীদের স্বার্থ রক্ষা
বাংলাদেশি কর্মীদের অধিকার সুরক্ষা
নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি
রেমিট্যান্স প্রবাহ আরও বৃদ্ধি
বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও প্রবাসী কল্যাণে নতুন দ্বার উন্মোচন
প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের কল্যাণে এই সফর ইতিবাচক ফলাফল বয়ে আনবে বলে আশা করা যায়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews