মহান জুলাইয়ের চেতনা,বিশ্লেষণ:অধ্যাপক ড.শেখ আকরাম আলী
*রিপোর্টার: আহসানুল হক, লন্ডন ও নাসির উদ্দীন*
মহান জুলাইয়ের চেতনা,বিশ্লেষণ:অধ্যাপক ড.শেখ আকরাম আলী
*বিশ্লেষণ: অধ্যাপক ড. শেখ আকরাম আলী*
*তারিখ: ১৬ জুন, ২০২৪
৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধে যেমন সর্বপ্রথম স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, ঠিক তেমনি জাতির ইতিহাসে নতুন সংযোজন - মহান জুলাইয়ের চেতনা।"
"২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবকে বাংলাদেশের মানুষ দ্বিতীয় স্বাধীনতা হিসেবে দেখছে। শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদী শাসন এবং ভারতের আধিপত্যবাদী নিয়ন্ত্রণ থেকে দেশ মুক্ত হয়েছে জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলনে।
১৯৪৭ সালে পাকিস্তান সৃষ্টির পর ভারত শুরু থেকেই মুসলিম জাতিসত্ত্বা ধ্বংসের কাজ করেছে। ১৯৭১ সালে ধর্মনিরপেক্ষ বাংলাদেশ সৃষ্টির মাধ্যমে ভারত কার্যত অভিভাবক হয়ে ওঠে। কিন্তু ১৯৭৫ সালের আগস্ট বিপ্লব এবং ৭ নভেম্বরের সিপাহী-জনতার বিপ্লবে জিয়াউর রহমানের উত্থানে মানুষ প্রথমবার প্রকৃত স্বাধীনতার স্বাদ পায়।
দীর্ঘদিন দুর্বল সরকারের পর ২০২৪ সালের জুলাই পরিবর্তন মানুষের মধ্যে নতুন আশা জাগিয়েছে। জুলাই সনদ ও গণভোটের আলোকে নতুন বাংলাদেশ গড়তে সরকার ও বিরোধী দল উভয়েই আন্তরিক। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নই এখন সরকারের মূল চ্যালেঞ্জ।
জুলাই বিপ্লবের শহীদ আবু সাঈদ, ওমান হাদী সহ হাজারো আহত যোদ্ধার ত্যাগকে সম্মান জানিয়ে তাদের পুনর্বাসন ও বীরত্বসূচক পদক প্রদানের দাবি জানিয়েছেন বিশ্লেষকরা। হুইপ আশরাফুদ্দিন নিজাম, ড. মাহমুদুর রহমান, কর্নেল আব্দুল হক সহ বহু নেতা জুলাইয়ের চেতনা ধরে রাখার শপথ নিয়েছেন।
অধ্যাপক ড. শেখ আকরাম আলীর মতে, জুলাইয়ের চেতনা উপেক্ষা করার সামর্থ্য এ জাতির নেই। আইনের শাসন, গণতান্ত্রিক চর্চা এবং ইসলামের কেন্দ্রীয় ভূমিকাই ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের পথ দেখাবে। সম্পর্ক হতে হবে সমমর্যাদার ভিত্তিতে, কারো দাদাগিরি বরদাশত করবে না এ জাতি।"
"জুলাইয়ের চেতনাকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে জাতীয় ইতিহাসের গৌরবময় অংশ হিসেবে। দেশের জন্য, জনগণের জন্য কঠোর পরিশ্রমই এখন মূলমন্ত্র।