শ্যালিকাকে অপহরণ ও শ্লীলতাহানির দায়ে দুলাভাইয়ের যাবজ্জীন
রাজীব দাস
শ্যালিকাকে অপহরণ ও শ্লীলতাহানির দায়ে দুলাভাইয়ের যাবজ্জীবন
চান্দগাঁওয়ে শ্যালিকাকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুলাভাইয়ের যাবজ্জীবনসহ ১৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে অর্থদণ্ডও প্রদান করা হয়েছে।
মঙ্গলবার চট্টগ্রাম নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৫ এর বিচারক এস এম জিল্লুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। তবে আসামি জামিনে গিয়ে পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) মো. আকবর আলী জানান, মামলায় পাঁচজন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও উপস্থাপিত প্রমাণে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। একই ঘটনায় পৃথক ধারায় তাকে ১৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, দুই লাখ টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেন আদালত।
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২২ সালের ৩১ অক্টোবর চট্টগ্রামের চান্দগাঁও থানার খাজা রোড এলাকায় ফুচকা খাওয়ানোর কথা বলে ১৭ বছর বয়সী শ্যালিকাকে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে দুলাভাই ফজলুল করিমের বিরুদ্ধে। ঘটনার পর ভুক্তভোগীর বাবা মো. আলী বাবুল বাদী হয়ে চান্দগাঁও থানায় মামলা করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। ২০২৫ সালের ২ ফেব্রুয়ারি আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।