শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বাঘায় দুর্গাপূজায় নিরাপত্তার চাদর, সম্প্রীতি রক্ষায় প্রশাসনের কঠোর অবস্থান নগরীর কোতোয়ালি এলাকায় চুরি হওয়া ২ মাসের শিশু উদ্ধার, চোরচক্রের ২ সদস্য আটক চমেক হাসপাতালের গাইনি বিভাগে এলবিয়ন গ্রুপের পক্ষ থেকে চিকিৎসা সরঞ্জাম প্রদান চোখের জলে লেখা যে কথা রাঙামাটিতে ৬ ইটভাটার কার্যক্রম বন্ধ বাঘায় মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের অভিযান, প্রচারে মাঠে নামল প্রশাসন কয়রায় বসতবাড়ি দখলের ঘটনায় মিথ্যা অভিযোগ করে হয়রানীর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন খুলনায় গ্যাস নিয়ে চলছে হুলস্থুল কান্ড,এলপিজি বোতলের ব্যাপক সংকট ক্যামিষ্ট এন্ড ড্রাগিস্ট ” কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে আনোয়ারায় চলছে দুই পক্ষের উত্তেজনা কর্ণফুলি মইজ্জ্যারটেক দ্বিতীয় দিন ও সিডিএ’র জমি, ফের অভিযান চলছে

নগরীর লালদীঘি মাঠে বৃক্ষমেলায় আড়াই কোটি টাকার চারা বিক্রি সময় বাড়ল আরও ৫ দিন

  • প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬
  • ৬১ বার পড়া হয়েছে

নগরীর লালদীঘি মাঠে বৃক্ষমেলায় আড়াই কোটি টাকার চারা বিক্রি
সময় বাড়ল আরও ৫ দিন

স্টাফ রিপোর্টার

নগরীর লালদীঘি মাঠে বৃক্ষমেলায় আড়াই কোটি টাকার চারা বিক্রি
সময় বাড়ল আরও ৫ দিন..
নগরীর লালদীঘি মাঠে চলমান বৃক্ষমেলায় ২ কোটি ৫১ লাখ টাকার চারা বিক্রি হয়েছে। বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এ মেলার সমাপনী অনুষ্ঠান গতকাল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন। সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। আয়োজকরা জানিয়েছেন, এ মেলা ১৫ দিনব্যাপী ছিল। গতকাল এর মেয়াদ শেষ হয়েছে। তবে মেলা চলবে আরো ৫ দিন। সমাপনী অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম অঞ্চলের বন সংরক্ষক মিহির কুমার দে এবং ফরেস্ট একাডেমি, চট্টগ্রামের পরিচালক মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিভাগীয় বন কর্মকর্তা, বন ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ চট্টগ্রামের আবু নাছের মোহাম্মদ ইব্রাহিম নেওয়াজ, বন ব্যবহারিক বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী, চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ড. আবু নাসের মোহসিন হোসেন, ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ হোছাইন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ সোহেল রানা এবং উপকূলীয় বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এম.এ. ছাহান।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় বৃক্ষমেলায় ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৯০০ প্রজাতির চারাগাছ ছিল। এসবের মধ্যে ফলদ, বনজ, ঔষধি, শোভাবর্ধনকারী ও ছাদবাগানের বিভিন্ন প্রজাতির চারা স্থান পেয়েছে। লালদীঘি মাঠে ১১ আগস্ট থেকে বৃক্ষমেলা শুরু হয়। মেলার আয়োজনে বিভিন্ন নার্সারি ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। ২৪ আগস্ট পর্যন্ত মেলায় মোট ৩ লাখ ১০ হাজার ৫০০টি চারা বিক্রি হয়েছে। এসব চারার মোট বিক্রয়মূল্য দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৫১ লাখ ৫০ হাজার টাকা। মেলায় ফলদ ও বনজ গাছের পাশাপাশি ঔষধি, শোভাবর্ধনকারী এবং নগর জীবনে সহজে পরিচর্যা করা যায় এমন বিভিন্ন প্রজাতির চারার প্রতি দর্শনার্থীদের আগ্রহ দেখা যায়। বিশেষ করে ছাদবাগানের উপযোগী গাছের চাহিদা ছিল উল্লেখযোগ্য।

সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং নগর ও গ্রামীণ এলাকায় সবুজায়ন বাড়াতে পরিকল্পিত বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই। শুধু মেলা আয়োজন নয়, মেলা থেকে কেনা চারাগুলো যথাযথভাবে রোপণ ও পরিচর্যার মাধ্যমে টিকিয়ে রাখার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়। বৃক্ষমেলায় বিপুলসংখ্যক চারা বিক্রি হওয়াকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, মানুষের মধ্যে গাছ লাগানোর আগ্রহ বাড়ছে। এই আগ্রহকে দীর্ঘমেয়াদি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে রূপ দিতে পারলে চট্টগ্রামের পরিবেশ সুরক্ষায় তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সমাপনী অনুষ্ঠানে বন বিভাগের কর্মকর্তা, প্রশাসনের কর্মকর্তা, নার্সারি মালিক, ব্যবসায়ী এবং পরিবেশসচেতন বিভিন্ন শ্রেণি–পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, বৃক্ষমেলা শেষ হলেও বৃক্ষরোপণের কার্যক্রম ও পরিবেশ সচেতনতার এই উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews