বাকলিয়ার থানার টিম রাতভর সাড়াশি অভিযানে ১৬ মামলার আসামী মুরাদেও সহযোগী সহ গ্রেপ্তার ৩
রাজীব দাশ ক্রাইম রিপোর্টার চট্টগ্রাম
বাকলিয়া থানার অভিযান টিম রাতভর সাড়াশি অভিযান পরিচালনা করে ১৬ মামলার আসামী মোঃ মুরাদ ও তার ২ সহযোগী মোট গ্রেপ্তার তিনজন।
চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়ায় দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ভাঙচুর ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনায় রাতভর সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে ১৬ মামলার আসামি মো. মুরাদসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে বাকলিয়া থানা পুলিশ।
পুলিশ জানায়, গত ২৭ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ১০টার দিকে বাকলিয়া থানাধীন সৈয়দ শাহ রোডের মোরশেদ টাওয়ারের সামনে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এ সময় রাস্তায় চলাচলরত সিএনজি অটোরিকশার গ্লাস ভাঙচুর, ইটপাটকেল নিক্ষেপ এবং জনসাধারণের জানমালের ক্ষতিসহ নাশকতা সৃষ্টির ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় বাকলিয়া থানায় ২৮ সেপ্টেম্বর সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯-এর ৬(২)/৮/৯/১০/১২/১৩ ধারায় মামলা করা হয়। মামলায় এজাহারনামীয় ১ নম্বর আসামি করা হয় মুরাদকে।
পুলিশের চৌকস অভিযান টিম তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় রাতভর সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করে। পরে ৩০ সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক ২টা ১০ মিনিটে চট্টগ্রামের পটিয়া থানাধীন কালারপুল এলাকা থেকে মুরাদকে (৪৩) গ্রেপ্তার করা হয়। একই অভিযানে ওই ঘটনায় জড়িত তদন্তে পাওয়া আসামি সুমন (৩৫) ও রুহুল আমিনকেও গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার মুরাদের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম নগর ও জেলার বিভিন্ন থানায় হত্যা, বিস্ফোরক, মাদক, দ্রুত বিচার আইন, চুরি, প্রতারণা, সরকারি কাজে বাধাদানসহ বিভিন্ন অভিযোগে একাধিক মামলা রয়েছে। তার পিসিপিআর যাচাইয়ে মোট ১৫টি মামলার তথ্য পাওয়া গেছে; এর মধ্যে কিছু মামলার তথ্য একই মামলার পুনরাবৃত্তি হিসেবে তালিকায় রয়েছে।
পুলিশ সূত্রে আরও জানা যায়, মুরাদের বিরুদ্ধে ২০২৫ সালে চান্দগাঁও থানায় দ্রুত বিচার আইনে মামলা, চকবাজার থানায় ২০২৪ সালে একাধিক মাদক মামলা, কোতোয়ালী থানায় বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা, সরকারি কাজে বাধাদান ও হামলাসহ বিভিন্ন ধারায় মামলা এবং ২০১৩ সাল থেকে বিভিন্ন থানায় মাদক ও প্রতারণার মামলা রয়েছে।
গ্রেপ্তার তিনজনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।