
ফুলবাড়িয়ায় শ্বশুরের নির্যাতনের শিকার এক অসহায় ভুক্তভোগী সুজন।
নাসির উদ্দীন গাজী খুলনা বিভাগীয় ব্যুরোচিফ
নেপথ্যে : শ্বশুরবাড়ীর কাবিন ব্যবসার সিন্ডিকেট!!!
প্রতিবেদক : মাহবুব হাসান ( সহ সম্পাদক) দৈনিক দেশের খবর।
ফুলবাড়িয়া থানার ফালুরবাজার গ্রামে জনৈক হাবিবুর রহমান এর মেয়ে হালিমার সাথে পাচ বছর পূর্বে বিবাহ হয় ময়মনসিংহের ছেলে সুজনের সাথে। বিয়ের পর,থেকেই শ্বশুর বাড়ীর কুপরামর্শে মেয়ে সংসার করতে অনীহা প্রকাশ করতো। নানাভাবে পেরেশানি তে রাখত সুজনকে। একাধিক বার পরিকল্পিতভাবে গর্ভপাত করানো হয় হালিমাকে।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৯/০৮/২০২৬ তারিখে সুজন শ্বশুর বাড়ীতে যায় তার স্ত্রী কে আনতে, বিনিময়ে শ্বশুর এর লাঠির আঘাতে মাথা ফাটিয়ে দুইদিন আটকে রেখে উল্টো জিডি করা হয় সুজনের বিরুদ্ধেই। যে অভিযোগের তদন্ত কর্মকর্তা এসআই হাসান। পরবর্তী তে সুজন অভিযোগ করে ফুলবাড়িয়া একই থানায় এসআই আলীম এর কাছে।তবে থানার কোন তদন্তেরই কোন অগ্রগতি নেই। এমতাবস্থায় সাংবাদিকের তদন্তে উঠে আসে কাবিন ব্যবসার সিন্ডিকেট এর বিষয়টি। সুজনের শ্বশুর ইতিপূর্বেও তার বোন কে সুজনের ফুপু শ্বাশুড়ীকে পরপর তিনবার বিয়ে দিয়ে তিনবারই তালাকের মাধ্যমে আদায় করে নেয় কাবিনের টাকা।
একই কায়দায় সুজনের থেকে জোরপূর্বক তালাকে সই করার জন্যই এতদিন চলে এই নির্যাতন।পাশাপাশি হাবিবুর এর বিরুদ্ধে এলাকায় গাজা ব্যবসার অভিযোগও উঠে আসে স্থানীয় একাধিক ব্যাক্তির অডিও সাক্ষাৎকারে। তাই বিয়ের নামে কাবিনব্যবসার প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন এর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। আর এ বিষয়ে ময়মনসিংহ পুলিশ সুপার এর কাছেও অভিযোগের অনুলিপি প্রদান করা হয়েছে।