শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বাঘায় দুর্গাপূজায় নিরাপত্তার চাদর, সম্প্রীতি রক্ষায় প্রশাসনের কঠোর অবস্থান নগরীর কোতোয়ালি এলাকায় চুরি হওয়া ২ মাসের শিশু উদ্ধার, চোরচক্রের ২ সদস্য আটক চমেক হাসপাতালের গাইনি বিভাগে এলবিয়ন গ্রুপের পক্ষ থেকে চিকিৎসা সরঞ্জাম প্রদান চোখের জলে লেখা যে কথা রাঙামাটিতে ৬ ইটভাটার কার্যক্রম বন্ধ বাঘায় মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের অভিযান, প্রচারে মাঠে নামল প্রশাসন কয়রায় বসতবাড়ি দখলের ঘটনায় মিথ্যা অভিযোগ করে হয়রানীর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন খুলনায় গ্যাস নিয়ে চলছে হুলস্থুল কান্ড,এলপিজি বোতলের ব্যাপক সংকট ক্যামিষ্ট এন্ড ড্রাগিস্ট ” কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে আনোয়ারায় চলছে দুই পক্ষের উত্তেজনা কর্ণফুলি মইজ্জ্যারটেক দ্বিতীয় দিন ও সিডিএ’র জমি, ফের অভিযান চলছে

কর্ণফুলি মইজ্জ্যারটেক দ্বিতীয় দিন ও সিডিএ’র জমি, ফের অভিযান চলছে

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬
  • ২৮ বার পড়া হয়েছে

কর্ণফুলি মইজ্জ্যারটেক দ্বিতীয় দিন ও সিডিএ’র জমি, ফের অভিযান চলছে

মাসুদ পারভেজ

কর্ণফুলি মইজ্জ্যারটেক দ্বিতীয় দিন ও সিডিএ’র জমি, ফের অভিযান চলছে
চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার মইজ্জ্যারটেক মোড়ে বারবার উচ্ছেদ অভিযান চালানোর পরও সরকারি জমিতে নতুন করে বাণিজ্যিক স্থাপনা গড়ে ওঠার অভিযোগ উঠেছে। এ অবস্থায় ফের অভিযান চালিয়ে মইজ্জ্যারটেক জংশনের বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিয়েছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)। এতে দীর্ঘদিন ধরে সড়কের পাশে গড়ে ওঠা দোকানপাট, গোডাউনসহ বিভিন্ন স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।

রোববার (৫ অক্টোবর) দুপুর ১২টার পর সিডিএর স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট ও চট্টগ্রাম যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ হামীমুন তানজীনের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে সিডিএর মইজ্জ্যারটেক প্রকল্পের প্রকল্প কর্মকর্তা ও নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ হাসান, কর্ণফুলী থানা পুলিশ এবং স্পেশাল পুলিশের সদস্যরা অংশ নেন। প্রায় ৪০ জন শ্রমিক ও একটি এস্কেভেটরের সহায়তায় উচ্ছেদ কার্যক্রম চালানো হয়।

অভিযানে মইজ্জ্যারটেক মোড়ে আব্দুল মন্নানের দখলে থাকা ওয়েলফুড, এস আলমের চেমন ইস্পাত লিমিটেডের সীমানাপ্রাচীর, কুলিং কর্নার, মুদির দোকান, বিকাশের দোকান, গোডাউন, বেকারি এবং সড়কের ওপর নির্মিত ঝুপড়ি দোকানসহ বিভিন্ন স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।

সিডিএর প্রকল্প কর্মকর্তা মোহাম্মদ হাসান বলেন, “মইজ্জ্যারটেক মোড়ের জংশনটি উচ্ছেদ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য অবৈধ স্থাপনাও উচ্ছেদ করা হবে।”

তবে স্থানীয়দের প্রশ্ন, একবার উচ্ছেদের পর একই এলাকায় কীভাবে আবার নতুন স্থাপনা গড়ে ওঠে? তাদের অভিযোগ, অভিযান পরিচালনার পর সরকারি জমি নিয়মিত তদারকি না করায় দখলদাররা সুযোগ পেয়ে পুনরায় স্থাপনা নির্মাণ করেন। ফলে উচ্ছেদ অভিযান সাময়িকভাবে জায়গা খালি করলেও কিছুদিন পর আবার আগের চিত্র ফিরে আসে।

সিডিএর নথি ও সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য অনুযায়ী, মইজ্জ্যারটেক থেকে পুরাতন ব্রিজঘাট পর্যন্ত সিডিএর জমিতে এর আগেও একাধিকবার অভিযান পরিচালিত হয়েছে। ২০২৩ সালের মে মাসে পুরাতন ব্রিজঘাট এলাকায় প্রায় ২৫০টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। এরপর ২০২৫ সালের মে মাসে পুরাতন ব্রিজঘাট, সৈন্যরটেক, খুদ্যেরটেক, আজিমপাড়া ও মইজ্জ্যারটেক এলাকায় দুই শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।

এরপরও বিভিন্ন স্থানে নতুন করে দোকানপাট ও অন্যান্য স্থাপনা গড়ে ওঠার অভিযোগ পাওয়া যায়। বিশেষ করে মইজ্জ্যারটেক জংশনে সিডিএর জমি দখল করে বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান পরিচালনার অভিযোগ নিয়ে আগেও আলোচনা হয়েছে।

এ ছাড়া কিছু স্থাপনার ভেতর দিয়ে সড়ক ও জনপদ এবং বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের খুঁটি চলে যাওয়ায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে বলেও স্থানীয়দের আশঙ্কা রয়েছে। সরকারি জমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণের পাশাপাশি এ ধরনের অবকাঠামোগত ঝুঁকি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

সিডিএর মালিকানাধীন ৩ দশমিক ৭৭ কাঠা জমি ইজারা নেওয়ার পর ইজারার শর্ত ভঙ্গ করে সেখানে বাণিজ্যিক স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগও রয়েছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, এসব বিষয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হলেও পরবর্তী সময়ে আদালতে মামলা ও স্থগিতাদেশের কারণে কিছু কার্যক্রম আটকে যায়।

সিডিএর অথরাইজড সেকশনের কর্মকর্তা তানজিব হোসেন জানান, কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি উচ্চ আদালতে মামলা করেন। আদালতের স্থগিতাদেশের কারণে পরবর্তী কার্যক্রম আটকে ছিল।

স্থানীয়রা বলছেন, সরকারি জমি দখলমুক্ত করার পাশাপাশি উচ্ছেদের পর সেখানে পুনরায় স্থাপনা নির্মাণ ঠেকাতে স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। নিয়মিত নজরদারি, সীমানা চিহ্নিতকরণ এবং দখল প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা না থাকলে বারবার উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েও কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া কঠিন হবে।

দ্বিতীয় দিনে অভিযানে এ পর্যন্ত আনুমানিক ১০০টা অধিক দোকান ভাঙচুর বা গুড়িয়ে দিয়েছে অভিযান চলমান আনুমানিক বিকেল ৪ টা পর্যন্ত অভিযান সালমান থাকবে, অন্যদিকে সিডিএ,র জবরদখল করে ভিলা সহ বিভিন্ন দোকান গড়ে তোলার বিরুদ্ধে বিভিন্ন পত্রিকায় নিউজ হওয়ার পরে সিডিএ চেয়ারম্যান বেলায়ত হোসেন নিউজএর দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ হলে এবং তিনি আমলে নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান, সিডিএ,র চেয়ারম্যান তদন্তপূর্বক অবৈধ দলখ যায়গা উদ্ধারে ২ দিনের বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে, কিন্তুু যে অবৈধ স্থাপনা বিরুদ্ধে নিউজ করা করা হয়েছিল,উক্ত বিল্ডিং অক্ষত অবস্থায় থেকে গেছে, এলাকার সাধারন মানুষ বলাবলি করছেন, মুল মইজ্জার টেক সিএনজি স্ট্যান্ড মোড়ে যানজট এবং সিডিএ,র জায়গা জবরদখল এর বিরুদ্ধে নিউজ করে,সাধারণ মানুষ মনে করেন মুল চট্টগ্রাম প্রতিদিন পত্রিকার নিউজে যথাযত অভিযান সফল হয় নি বলে সাধারণ মানুষ মনে করেন অভিযানের টিমের কাছে জানতে চাইলে প্রতিবেদক কে জানান, অভিযান চলমান

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews