শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ০৮:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পার্বত্য চট্টগ্রামে বন্যা ও পাহাড়ধস মোকাবেলায় সেনাবাহিনীর উদ্ধার-ত্রাণ কার্যক্রম চসিকে মন্ত্রণালয়ের গঠিত কমিটির জরুরি সভা, জলাবদ্ধতা নিরসনে সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ টানা ভারী বর্ষণে রাঙামাটিতে দুর্ভোগে ২০ হাজার মানুষ ছিনতাই চক্রের মূলহোতাে ২২ মামলার আসামি,বাদশা গ্রেপ্তার বান্দরবানের লামায় পাহাড় ধসে শিশুসহ ৫ জনের মৃত্যু ব্রাজিলের খেলার রাতে ফুলতলার সিকিরাটে ডাকাতি, ৮ লাখ টাকা ও ৬ ভরি স্বর্ণ লুট, আহত ১ বৃষ্টিতে সড়ক তলিয়ে সাজেকে আটকা পড়েছে ৬০০ পর্যটক নগরে ২৪ ঘণ্টায় ৪১২ দশমিক ৩ মিলিমিটার বৃষ্টি সর্বোচ্চ রেকর্ড,তলিয়ে গেল অনেক এলাকা ডুবে গেছে রেললাইন, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ চট্টগ্রামে টানা ভারি বর্ষণে ৩৩০ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড, পাহাড়ধসের শঙ্কা

পার্বত্য চট্টগ্রামে বন্যা ও পাহাড়ধস মোকাবেলায় সেনাবাহিনীর উদ্ধার-ত্রাণ কার্যক্রম

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

পার্বত্য চট্টগ্রামে বন্যা ও পাহাড়ধস মোকাবেলায় সেনাবাহিনীর উদ্ধার-ত্রাণ কার্যক্রম

শাহ্ জালাল সুমন – রাঙ্গামাটি

পার্বত্য চট্টগ্রামে বন্যা ও পাহাড়ধস মোকাবেলায় সেনাবাহিনীর উদ্ধার-ত্রাণ কার্যক্রম…
পার্বত্য চট্টগ্রামে চলমান ভারী বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল ও পাহাড়ধসের ফলে সৃষ্ট দুর্যোগ মোকাবিলায় স্থানীয় প্রশাসন, অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাসমূহের সঙ্গে সমন্বয় করে উদ্ধার, ত্রাণ সহায়তা, নিরাপদ স্থানে স্থানান্তর এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনরুদ্ধারে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, দুর্যোগের কারণে পার্বত্য অঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে পাহাড়ধস ও জলাবদ্ধতার ফলে সড়ক যোগাযোগ বিঘ্নিত হলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা প্রয়োজনীয় প্রকৌশল সরঞ্জাম ও ভারী যন্ত্রপাতির সহায়তায় মাটি ও ধ্বংসাবশেষ অপসারণ করে যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনঃস্থাপনে কাজ করছেন। একই সঙ্গে ভূমিধসের উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা এলাকা থেকে প্রায় ২২১ টি পরিবারকে নিরাপদ আশ্রয়ে স্থানান্তর করা হয়েছে।

এছাড়াও, দুর্গম এলাকায় আটকে পড়া পর্যটকদের নিরাপদে উদ্ধারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। এ পর্যন্ত বান্দরবান থেকে ১৪০ জন এবং সাজেকে আটকে পড়া প্রায় ৬০০ জন পর্যটকের মধ্যে প্রথম ধাপে ১৫০ জনকে স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তায় নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। অবশিষ্ট পর্যটকদের পর্যায়ক্রমে নিরাপদ স্থানে স্থানান্তরের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বিভিন্ন এলাকায় রান্না করা খাবার, শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি এবং অন্যান্য জরুরি ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করছে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পাহাড়ি ও বাঙালি পরিবারের মাঝে চাল, ডাল, তেল, আলুসহ প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ অব্যাহত রয়েছে।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় উদ্ধার, ত্রাণ সহায়তা, যোগাযোগ পুনঃস্থাপন ও পুনর্বাসন কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে বলেও জানায় আইএসপিআর।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সর্বদা দেশের যেকোনো দুর্যোগ ও জাতীয় সংকটে জনগণের জীবন, সম্পদ ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো সুরক্ষায় সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, নিষ্ঠা ও দায়িত্ববোধের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews