মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের ১১তম অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের দায়িত্ব গ্রহণ চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজির উপস্থিতিতে রাঙ্গামাটি মাদকবিরোধী সুধী সমাবেশ ও র‌্যালি বান্দরবান নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণে বাংলাদেশি নিহত জাহাজভাঙা শিল্পে নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিতের দাবিতে বিস্ফোরক অধিদপ্তর ঘেরাও চট্টগ্রাম নগর পুলিশের পাঁচ থানায় ওসি পদে রদবদল ওয়াসার পানি উৎপাদন আরও ৫০ কোটি লিটার বাড়ানোর পরিকল্পনা মাদক মামলার আসামিদের জন্য জঙ্গল সলিমপুরে আলাদা কারাগার হবে : মীর হেলাল চট্টগ্রাম সীতাকুণ্ডে বাড়ছে ড্রাগন চাষ নিরাপদ খুলনা চাই ফুলতলা উপজেলা শাখার উদ্যোগে মানববন্ধন

কাজীর দেউড়ি বাজারে ১৫৫ কেজির সামুদ্রিক কোরাল মাছ দর্শনার্থীর ভিড়.

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০২৬
  • ৪৮ বার পড়া হয়েছে

কাজীর দেউড়ি বাজারে ১৫৫ কেজির সামুদ্রিক কোরাল মাছ
দর্শনার্থীর ভিড়.

রাজীব দাস

নগরীর কাজীর দেউড়ি বাজারে ১৫৫ কেজির কোরাল, ক্রেতা-দর্শনার্থীর ভিড়…
নগরীর কাজীর দেউড়ি মাছ বাজারে সুন্দরবনের সমুদ্র উপকূল এলাকায় ধরা পড়া ১৫৫ কেজি ওজনের বিশাল আকৃতির একটি সামুদ্রিক কোরাল মাছ বিক্রির জন্য আনা হয়েছে। মাছটি গতকাল কাজীর দেউড়ি বাজারে আনার পর এক নজরে দেখার জন্য বাজারে প্রচুর ক্রেতা ও উৎসুক দর্শনার্থী ভিড় করছেন।

গতকাল মাছটির বিক্রেতা আনোয়ার হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মাছটি বাজারের আসার খবর পেয়ে চারদিক থেকে আগ্রহী ক্রেতা এবং উৎসুক মানুষের ভিড় বেড়ে গেছে। মাছটি শনিবার সন্ধ্যায় কেটে বিক্রি করা হবে। ইতোমধ্যে মাছটির অগ্রিম বুকিং প্রায় শেষ হয়ে গেছে। এরপর বুকিং অনুযায়ী মাছ কেটে ক্রেতাদের কাছে সরবরাহ করা হবে। তিনি জানান, ২০১৯ সালের পর এত বড় কোরাল আর পাননি। চার থেকে পাঁচ বছর পর আবার এমন একটি মাছ বাজারে তুলতে পেরেছেন। প্রতি কেজির দাম ধরা হয়েছে ১ হাজার ৫০০ টাকা। সে হিসাবে ১৫৫ কেজির পুরো মাছটির দাম দাঁড়ায় ২ লাখ ৩২ হাজার ৫০০ টাকা।

আনোয়ারা হোসেন বলেন, সুন্দরবন উপকূলের সমুদ্র এলাকা থেকে ধরা পড়া মাছটির খবর দুই দিন আগে ওই এলাকার মাছ ঘাট থেকে তাকে জানানো হয়। এরপর মাছের ছবি তুলে তার কাছে পাঠানো হলে তিনি মাছটি কেনার সিদ্ধান্ত নেন। মাছটি কিনতে তার ১ লাখ ১০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে বলে জানান। এছাড়াও পরিবহন ব্যয় হয়েছে তার আরও ১০ হাজার টাকা। তিনি আরও বলেন, এত বড় আকারের কোরাল মাছ সচরাচর বাজারে খুব কমই আসে। তাই মাছটি ঘিরে মানুষের ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। ভালো মানের সামুদ্রিক কোরাল মাছ হওয়ায় অনেক ক্রেতা আগেভাগেই বুকিং দিয়ে দিয়েছেন। কোরাল মাছ স্বাদে ও পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ সামুদ্রিক মাছ হিসেবে পরিচিত। এটি সাধারণত বঙ্গোপসাগর এবং অন্যান্য উষ্ণ জলের উপকূলীয় অঞ্চলে পাওয়া যায়।

জেলা মৎস্য দপ্তর জানায়, মাছটির শরীর চ্যাপ্টা ও তুলনামূলক গোলাকার। পিঠের ও পেছনের পাখনা লেজের দিকে অনেকটা বিস্তৃত হওয়ায় দূর থেকে এটিকে তিনটি লেজযুক্ত মাছ মনে হয়। মাথা ও মুখ তুলনামূলক ছোট, আর গায়ে বাদামি রঙের ছোপ রয়েছে। এসব বৈশিষ্ট্য কই–কোরালের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। কোরাল বাংলাদেশের সামুদ্রিক মাছের মধ্যে অন্যতম মূল্যবান প্রজাতি। কোরালের অনেক জাত রয়েছে। ছবি দেখে মনে হয়েছে এটি কোরাল শ্রেণির মাছ। অনেকে একে কই–কোরালও বলেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews