মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের ১১তম অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের দায়িত্ব গ্রহণ চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজির উপস্থিতিতে রাঙ্গামাটি মাদকবিরোধী সুধী সমাবেশ ও র‌্যালি বান্দরবান নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণে বাংলাদেশি নিহত জাহাজভাঙা শিল্পে নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিতের দাবিতে বিস্ফোরক অধিদপ্তর ঘেরাও চট্টগ্রাম নগর পুলিশের পাঁচ থানায় ওসি পদে রদবদল ওয়াসার পানি উৎপাদন আরও ৫০ কোটি লিটার বাড়ানোর পরিকল্পনা মাদক মামলার আসামিদের জন্য জঙ্গল সলিমপুরে আলাদা কারাগার হবে : মীর হেলাল চট্টগ্রাম সীতাকুণ্ডে বাড়ছে ড্রাগন চাষ নিরাপদ খুলনা চাই ফুলতলা উপজেলা শাখার উদ্যোগে মানববন্ধন

বান্দরবানের লামায় পাহাড় ধসে শিশুসহ ৫ জনের মৃত্যু

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬
  • ৬৬ বার পড়া হয়েছে

বান্দরবানের লামায় পাহাড় ধসে শিশুসহ ৫ জনের মৃত্যু

ফরিদ উদ্দিন – লামা

বান্দরবানের লামা উপজেলার আজিজনগর ইউনিয়নে ভয়াবহ পাহাড়ধসে শিশুসহ দুই পরিবারের ৫ জন জনের মৃত্যু হয়েছে৷ আজ বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ভোর রাতে টানা ভারী বর্ষণের সময়ে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- আজিজ নগর ইউনিয়নের মিশন পাড়ার বাসিন্দার মোঃ ইউনুস (২৮), তার স্ত্রী রানু আক্তার (২২), ছেলে মোঃ সোলেমান (৪) এবং মো জুয়েল (৩৪), তার স্ত্রী কুলছুমা আক্তার (২৫)।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও স্থানীয়রা জানায়, রোববার থেকে টানা কয়েকদিনের বৃষ্টিতে পাহাড়ের মাটি নরম হয়ে বিভিন্ন স্থানে পাহাড় ধসে পড়েছে৷ পাহাড় ধসে আজিজনগর ইউনিয়নের পাগলাছড়া এলাকায় পাহাড় ধ্বসে একই পরিবারের তিনজন নিহত হয়। এছাড়াও একই এলাকার পাহাড় ধ্বসে বসতঘরের উপর পড়ে স্বামী-স্ত্রী দুজন নিহত হয়। পরে খবর পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দা, ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সদস্যরা উদ্ধার অভিযান চালিয়ে পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বান্দরবানের পুলিশ সুপার মোঃ ওহাবুল ইসলাম খন্দকার বলেন, পাহাড় ধ্বসে লামার আজিজনগর এলাকায় একই পরিবারের তিন জনসহ ৫ জন নিহত হয়েছে। ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সদস্যরা সহযোগিতায় তাদেরকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে।

এদিকে টানা বৃষ্টির কারণে লামাসহ বান্দরবানের বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ধসের ঝুঁকি বেড়েছে। নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হওয়ায় জনজীবন ও সড়ক যোগাযোগও ব্যাহত হচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো হলেও অনেকেই এখনও সেখানে যেতে অনাগ্রহী।

প্রশাসনের খোলা ২২০ টি আশ্রয় কেন্দ্রে দুর্গতদের অনেকেই আশ্রয় নিয়েছে। সাঙ্গু ও মাতামুহুরি নদীর পানি বিপদসীমার অনেক ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অন্যদিকে টানা বৃষ্টির কারনে বিভিন্ন উপজেলার সড়ক যোগাযোগ, বিদ্যুত সংযোগ ও নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন হওয়াতে যোগাযোগ ব্যাহত।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews