বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চসিকের অভিযানের অল্প সময়ের মধ্যে আবারও সড়ক ও ফুটপাতে ভাসমান দোকান বসে যায় চট্টগ্রামে জশনে জুলুসে যান চলাচলে সিএমপির নির্দেশনা চসিকের অভিযানে নগরীর বড়পোলে শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের ১১তম অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের দায়িত্ব গ্রহণ চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজির উপস্থিতিতে রাঙ্গামাটি মাদকবিরোধী সুধী সমাবেশ ও র‌্যালি বান্দরবান নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণে বাংলাদেশি নিহত জাহাজভাঙা শিল্পে নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিতের দাবিতে বিস্ফোরক অধিদপ্তর ঘেরাও চট্টগ্রাম নগর পুলিশের পাঁচ থানায় ওসি পদে রদবদল ওয়াসার পানি উৎপাদন আরও ৫০ কোটি লিটার বাড়ানোর পরিকল্পনা

পটিয়া পাহাড়ি এলাকায় অভিযান, চার আগ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রেপ্তার

  • প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬
  • ৪৩ বার পড়া হয়েছে

পটিয়া পাহাড়ি এলাকায় অভিযান, চার আগ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ২

রাজীব দাস

পটিয়া দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় অভিযান, চার আগ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ২…
চট্টগ্রামের পটিয়ার দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চারটি আগ্নেয়াস্ত্র, বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র ও দুটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।

শনিবার বেলা ১২টায় চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম।

গ্রেপ্তার দুজন হলেন পটিয়া উপজেলার কেলিশহর ইউনিয়নের ইন্নারপাড়া এলাকার বাসিন্দা মো. দেলোয়ার হোসেন (৫৪) ও মো. মহসিন (৩৩)।

পুলিশ সুপার জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার দুপুরে ডিবির একটি দল কেলিশহর ইউনিয়নের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় অভিযান চালায়। প্রতিকূল পরিবেশ ও সম্ভাব্য সশস্ত্র প্রতিরোধের ঝুঁকি উপেক্ষা করে পরিচালিত ওই অভিযানে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশের দাবি, পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিকেলে ইন্নারপাড়ায় দেলোয়ার হোসেনের বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় খাটের নিচ থেকে ছয়টি কিরিচ, পাঁচটি রামদা, একটি দামাদা, একটি লোহা কাটার যন্ত্র এবং দুটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

এরপর একই ইউনিয়নের ছাতিভাঙ্গা এলাকার আফছারের গাছবাগানে অভিযান চালিয়ে লুকিয়ে রাখা দুটি একনলা বন্দুক ও দুটি দেশীয় তৈরি এলজি উদ্ধার করে ডিবি।

প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, উদ্ধার করা আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্রগুলো বিভিন্ন সন্ত্রাসী ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে মজুত রাখা হয়েছিল।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম বলেন, অপরাধ, সন্ত্রাস ও অবৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে জেলা পুলিশের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অব্যাহত রয়েছে। দুর্গম পাহাড়ি এলাকাসহ জেলার বিভিন্ন স্থানে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদারের পাশাপাশি নিয়মিত বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

এ ঘটনায় জড়িত অন্য সহযোগী, অস্ত্রের উৎস ও সম্ভাব্য সন্ত্রাসী চক্রকে শনাক্তে তদন্ত ও অভিযান চলমান রয়েছে। একই সঙ্গে এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়াও চলছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews