শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ০১:৩৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পার্বত্য চট্টগ্রামে বন্যা ও পাহাড়ধস মোকাবেলায় সেনাবাহিনীর উদ্ধার-ত্রাণ কার্যক্রম চসিকে মন্ত্রণালয়ের গঠিত কমিটির জরুরি সভা, জলাবদ্ধতা নিরসনে সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ টানা ভারী বর্ষণে রাঙামাটিতে দুর্ভোগে ২০ হাজার মানুষ ছিনতাই চক্রের মূলহোতাে ২২ মামলার আসামি,বাদশা গ্রেপ্তার বান্দরবানের লামায় পাহাড় ধসে শিশুসহ ৫ জনের মৃত্যু ব্রাজিলের খেলার রাতে ফুলতলার সিকিরাটে ডাকাতি, ৮ লাখ টাকা ও ৬ ভরি স্বর্ণ লুট, আহত ১ বৃষ্টিতে সড়ক তলিয়ে সাজেকে আটকা পড়েছে ৬০০ পর্যটক নগরে ২৪ ঘণ্টায় ৪১২ দশমিক ৩ মিলিমিটার বৃষ্টি সর্বোচ্চ রেকর্ড,তলিয়ে গেল অনেক এলাকা ডুবে গেছে রেললাইন, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ চট্টগ্রামে টানা ভারি বর্ষণে ৩৩০ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড, পাহাড়ধসের শঙ্কা

চট্টগ্রামে টানা ভারি বর্ষণে ৩৩০ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড, পাহাড়ধসের শঙ্কা

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬
  • ১৭ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রামে টানা ভারি বর্ষণে ৩৩০ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড, পাহাড়ধসের শঙ্কা

স্টাফ রিপোর্টার

চট্টগ্রামে টানা ভারি বর্ষণে ৩৩০ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড, পাহাড়ধসের শঙ্কা

চট্টগ্রামে টানা ভারি বর্ষণ অব্যাহত রয়েছে। চট্টগ্রাম আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, মঙ্গলবার সকাল ৯টা পর্যন্ত বিগত ২৪ ঘণ্টায় নগরীতে ৩৩০ দশমিক ৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, যা এই মৌসুমের অন্যতম সর্বোচ্চ।

ভারি এই বৃষ্টির কারণে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। এ প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, মির্জাখাল প্রকল্পের প্রায় ৩০ শতাংশ কাজ এখনো বাকি রয়েছে, আর সে কারণেই ভারি বৃষ্টিতে নগরের কোথাও কোথাও পানি উঠে যাচ্ছে।

মেয়র জানান, নগরবাসীকে জলাবদ্ধতামুক্ত রাখতে তিনি নিজে গত তিন দিন ধরে রাত-বিরাতে এলাকায় এলাকায় ঘুরে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন।

এর আগে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছিল, রোববার সন্ধ্যা ৬টা থেকে সোমবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চট্টগ্রামে ১১৫ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে, যা আবহাওয়া অধিদপ্তরের হিসাবে ভারি বর্ষণ। আজ গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৩০.৮ মিলিলিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়।

বর্ষা মৌসুমে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বঙ্গোপসাগর থেকে আর্দ্র বাতাস নিয়ে আসছে, যা মেঘ তৈরি করছে। সম্প্রতি সৃষ্ট একটি মৌসুমি নিম্নচাপের প্রভাবে বৃষ্টি আরও বেড়ে যায়। নিম্নচাপটি বর্তমানে ভারতের ঝাড়খণ্ড-ওড়িশা এলাকায় সরে গেলেও সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর কারণে চট্টগ্রামসহ দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে আরও অন্তত এক সপ্তাহ বৃষ্টির প্রবণতা থাকতে পারে বলে জানানো হয়েছে।

এদিকে পাহাড়ধসের ঝুঁকি মাথায় রেখে ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড় ও উপকূল এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরে যেতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং করা হচ্ছে। প্রয়োজনে স্কুল-কলেজ, মসজিদ ও মাদ্রাসাকেও অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, স্থানীয়ভাবে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত জারি থাকায় ঝুঁকি বেড়েছে এবং ছয়জন সহকারী কমিশনারের নেতৃত্বে একাধিক দল মাঠে কাজ করছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews