শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ০৮:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পার্বত্য চট্টগ্রামে বন্যা ও পাহাড়ধস মোকাবেলায় সেনাবাহিনীর উদ্ধার-ত্রাণ কার্যক্রম চসিকে মন্ত্রণালয়ের গঠিত কমিটির জরুরি সভা, জলাবদ্ধতা নিরসনে সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ টানা ভারী বর্ষণে রাঙামাটিতে দুর্ভোগে ২০ হাজার মানুষ ছিনতাই চক্রের মূলহোতাে ২২ মামলার আসামি,বাদশা গ্রেপ্তার বান্দরবানের লামায় পাহাড় ধসে শিশুসহ ৫ জনের মৃত্যু ব্রাজিলের খেলার রাতে ফুলতলার সিকিরাটে ডাকাতি, ৮ লাখ টাকা ও ৬ ভরি স্বর্ণ লুট, আহত ১ বৃষ্টিতে সড়ক তলিয়ে সাজেকে আটকা পড়েছে ৬০০ পর্যটক নগরে ২৪ ঘণ্টায় ৪১২ দশমিক ৩ মিলিমিটার বৃষ্টি সর্বোচ্চ রেকর্ড,তলিয়ে গেল অনেক এলাকা ডুবে গেছে রেললাইন, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ চট্টগ্রামে টানা ভারি বর্ষণে ৩৩০ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড, পাহাড়ধসের শঙ্কা

বান্দরবানের লামায় পাহাড় ধসে শিশুসহ ৫ জনের মৃত্যু

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

বান্দরবানের লামায় পাহাড় ধসে শিশুসহ ৫ জনের মৃত্যু

ফরিদ উদ্দিন – লামা

বান্দরবানের লামা উপজেলার আজিজনগর ইউনিয়নে ভয়াবহ পাহাড়ধসে শিশুসহ দুই পরিবারের ৫ জন জনের মৃত্যু হয়েছে৷ আজ বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ভোর রাতে টানা ভারী বর্ষণের সময়ে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- আজিজ নগর ইউনিয়নের মিশন পাড়ার বাসিন্দার মোঃ ইউনুস (২৮), তার স্ত্রী রানু আক্তার (২২), ছেলে মোঃ সোলেমান (৪) এবং মো জুয়েল (৩৪), তার স্ত্রী কুলছুমা আক্তার (২৫)।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও স্থানীয়রা জানায়, রোববার থেকে টানা কয়েকদিনের বৃষ্টিতে পাহাড়ের মাটি নরম হয়ে বিভিন্ন স্থানে পাহাড় ধসে পড়েছে৷ পাহাড় ধসে আজিজনগর ইউনিয়নের পাগলাছড়া এলাকায় পাহাড় ধ্বসে একই পরিবারের তিনজন নিহত হয়। এছাড়াও একই এলাকার পাহাড় ধ্বসে বসতঘরের উপর পড়ে স্বামী-স্ত্রী দুজন নিহত হয়। পরে খবর পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দা, ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সদস্যরা উদ্ধার অভিযান চালিয়ে পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বান্দরবানের পুলিশ সুপার মোঃ ওহাবুল ইসলাম খন্দকার বলেন, পাহাড় ধ্বসে লামার আজিজনগর এলাকায় একই পরিবারের তিন জনসহ ৫ জন নিহত হয়েছে। ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সদস্যরা সহযোগিতায় তাদেরকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে।

এদিকে টানা বৃষ্টির কারণে লামাসহ বান্দরবানের বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ধসের ঝুঁকি বেড়েছে। নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হওয়ায় জনজীবন ও সড়ক যোগাযোগও ব্যাহত হচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো হলেও অনেকেই এখনও সেখানে যেতে অনাগ্রহী।

প্রশাসনের খোলা ২২০ টি আশ্রয় কেন্দ্রে দুর্গতদের অনেকেই আশ্রয় নিয়েছে। সাঙ্গু ও মাতামুহুরি নদীর পানি বিপদসীমার অনেক ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অন্যদিকে টানা বৃষ্টির কারনে বিভিন্ন উপজেলার সড়ক যোগাযোগ, বিদ্যুত সংযোগ ও নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন হওয়াতে যোগাযোগ ব্যাহত।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews